ঢাকা, বৃহস্পতিবার ২৩ নভেম্বর ২০১৭  ,
২৩:৫৭:৩২ জুন  ২১, ২০১৭ - বিভাগ: বাংলাদেশ


জীবনবাজি রেখে বসবাস

Image

ডেস্ক রিপোর্ট

রেলস্টেশন সংলগ্ন লাইনের পাশে একটা শব্দ। তাতেই ওরা বুঝতে পারেন রেল আসছে। কেউ সিলভারের হাঁড়িতে চুলায় সবে রান্না বসিয়েছেন, কেউ বা চৌকিতে শুয়ে। খেলাধুলো বা পড়াশোনা চলে ওই রেললাইনে বসেই। রেল সামনে আসার আগেই রান্না ছেড়ে, চৌকি উল্টে, সব ফেলে নিরাপদ দূরত্বে সরে যেতে অভ্যস্ত ওরা। রেল চলে গেলে ফিরে আসা। এরই মাঝে ঘটে যায় অঘটন। তবু বদলায় না এই ছবি। চোখে পড়ে স্টেশনের আশপাশেই রেললাইন দখলের ছবি। লাইনের ওপরেই থরে থরে প্লাস্টিকের ছাউনির নিচে বিপজ্জনক ছাপড়া। কোনটি ট্রেন থেকে মাত্র এক চুল দূরে। অভিযোগ, গোটা পথেই এমন অসংখ্য ছাপড়া গজিয়ে উঠেছে। তাঁবু আর প্লাস্টিক ছাউনির ছাপড়া। যাত্রীদের অভিযোগ, সেখানে রেললাইনের মাঝে থাকে পানির ড্রাম, লাইনেই কাপড় বিছিয়ে শুকোনো হয়। যাত্রীদের একাংশের এই নিয়ে অস্বস্তির শেষ নেই। কাজের সূত্রে প্রতিদিন জামালপুরে যাতায়াত করেন খলিলুর রহমান। তিনি বলেন, রেল ঢুকলে চুলায় বসানো কড়াই চলে যায় রেলের নিচে। জানালা দিয়ে থুতু ফেলতে গিয়ে অনেক সময়েই হয়তো পড়ে রান্না-খাবারে। ওই স্টেশন এলাকার বাসিন্দাদের একাংশের অভিযোগ, এলাকায় চুরি-ছিনতাইয়ের মতো অপরাধমূলক কাজ বাড়ছে ওখান থেকেই।
বিশাল অট্টালিকা নেই, একতলা  দোতলা বাড়ি নেই, এসি নেই, ফ্যান নেই জীবনকে জীবন না ভেবে কোনো ঝুঁকি না ভেবে ছেলেমেয়েদের নিয়ে পরিবারগুলো নিরাপদভাবে বসবাস করে যাচ্ছে। বাসিন্দা আশি বছরের প্রবীণ নাসিমা বেগম বলেন, ঝিকঝিক শব্দ আমাদের বেঘাত ঘটে না। ঘুম এমনিই চলে আসে। আল্লাহর ওপর ভরসা নিয়ে বসবাস করছি।


বাংলাদেশ'র অন্যান্য খবর

©সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি