ঢাকা, বৃহস্পতিবার ১৯ অক্টোবর ২০১৭  ,
২৩:৫০:০৬ জুন  ১৮, ২০১৭ - বিভাগ: জাতীয়


মৃতপ্রায় ৫৩ নৌপথ খননের উদ্যোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক

মৃতপ্রায় নৌপথগুলো সচল করার লক্ষ্যে প্রায় ১২ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে ৫৩টি নৌপথ খননের উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার। বর্তমানে ৩৬টি নৌপথ খননের কাজ চলমান। বিশ্ব ব্যাংকের আর্থিক সহায়তায় প্রায় ৩ হাজার ২শ কোটি টাকা ব্যয়ে নৌ-টার্মিনাল নির্মাণসহ চট্টগ্রাম-ঢাকা-আশুগঞ্জ ও সংযুক্ত ৯০০ কিলোমিটার নৌপথে ক্যাপিটাল ড্রেজিং করা হবে। এছাড়া ১৪টি ল্যান্ডিং স্টেশন উন্নয়ন, ৬টি ভেসেল সাইক্লোন শেল্টার, ৬টি প্যাসেঞ্জার টার্মিনাল, ২টি কার্গো টার্মিনাল এবং ৩শ কিলোমিটার নেভিগেশনাল এইড স্থাপন করা হবে। দেশের নৌ-যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে নদী খননের লক্ষ্যে ১৪টি ড্রেজার কেনা হয়েছে। আরও ২০টি ড্রেজার কেনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কক্সবাজার জেলার সোনাদিয়ায় একটি গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণের জন্য ২০০৯ সালে জাপানের প্যাসিফিক কনসালট্যান্ট ইন্টারন্যাশনাল (পিসিআই) টেকনো ইকোনোমিক ফিজিবিলিটি স্টাডি করা হয়। পরামর্শক প্রতিষ্ঠান পিসিআই দাখিল করা সমীক্ষা প্রতিবেদনে সোনাদিয়ায় তিন ধাপে গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণ প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রস্তাব করা হয়েছে। প্রথম পর্যায়ে বন্দর নির্মাণের কাজ শুরু করার পর তা বাস্তবায়নে পাঁচ বছর প্রয়োজন। দ্রুতই এ কাজ শুরু হবে। আর দ্বিতীয় ও তৃতীয় পর্যায়ের কাজ যথাক্রমে ২০৩৫ সাল এবং ২০৫৫ সালে শেষ হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এছাড়া জাইকা মাতারবাড়িতে একটি বহুমুখী গভীর সমুদ্রবন্দর স্থাপনের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা পরিচালনা করছে। বর্তমানে বর্ষা মৌসুমে ৬ হাজার কিলোমিটার ও শুষ্ক মৌসুমে ৪ হাজার ৫০০ কিলোমিটার নৌপথ রয়েছে। কোনো লঞ্চ বা স্টিমারে যদি জীবন রক্ষাকারী সরঞ্জাম পর্যাপ্ত না থাকে তা হলে ওই লঞ্চের যাত্রা স্থগিত করাসহ মামলা দায়ের করা হবে। এছাড়া প্রতিটি লঞ্চে ভয়েস ডিক্লারেশন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। অতিরিক্ত যাত্রী বোঝাই বন্ধ ও নৌ-দুর্ঘটনা প্রতিরোধে ঢাকা নদীবন্দরসহ দেশের গুরুত্বপূর্ণ নদীবন্দরে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। ঈদ ও কালবৈশাখী মৌসুমে মোবাইল কোর্টের কার্যক্রম জোরদার থাকে।
বিগত ৫ বছরে বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন (বিএসসি) এক হাজার ৫৫ কোটি ৬৫ লাখ টাকা আয় করেছে। বর্তমানে বিএসসির দুটি জাহাজ সচল রয়েছে। আর একটি জাহাজ অচল হয়ে পড়েছে। এমভি বাংলার শিখা নামের ওই অচল জাহাজটি বিক্রির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। গতকাল রোববার সকালে জাতীয় সংসদে সরকারি দলের সদস্য গোলাম দস্তগীর গাজী ও সরকারি দলের সদস্য মোহাম্মদ ইলিয়াছের লিখিত প্রশ্নের জবাবে নৌপরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান এসব কথা জানান।


জাতীয় 'র অন্যান্য খবর

©সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি