ঢাকা, শনিবার ২৫ নভেম্বর ২০১৭  ,
২৩:১২:০৮ জুন  ১৭, ২০১৭ - বিভাগ: বাংলাদেশ


সেমাই কারখানা সরব

ডেস্ক রিপোর্ট

ঈদ উপলক্ষে সরব হয়ে উঠেছে সারাদেশের সেমাই কারখানাগুলো। পাল্লা দিয়ে কাজ করে চলেছেন সেমাই পল্লীর কারিগররা। এসব কারখানাগুলোয় তৈরি হচ্ছে বিভিন্ন প্রকারের সেমাই। এমনকি এখানকার চিকন সাদা সেমাই দেশের চাহিদা মিটিয়ে রপ্তানি হচ্ছে বিদেশেও। তবে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে বৈরী আবহাওয়া ও বিদ্যুৎ। লোডশেডিংয়ে ব্যাহত হচ্ছে উৎপাদন কার্যক্রম। ফলে চাহিদা অনুযায়ী সেমাই সরবরাহ করতে পারছেনা কারখানার মালিকরা। প্রতি ঈদেই রেকর্ড পরিমাণ সেমাই তৈরি করেন সেমাই কারখানা মালিকরা। শুধু রমজানেই অন্য সময়ের চেয়ে সেমাইয়ের চাহিদা বাড়ে অন্তত ৩ গুণ। এদিকে, ঈদকে সামনে রেখে এবারও বগুড়া ও ঝালকাঠির সেমাই কারখানাগুলোতে বিভিন্ন ধরনের সেমাই তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন কারিগররা। বগুড়ার উৎপাদিত চিকন সেমাইয়ের সুনাম রয়েছে দেশজুড়ে। এ জেলার সদর ও শাহজাহানপুর উপজেলার ১০টি গ্রামে গড়ে উঠেছে সেমাই পল্লী। এখানকার শতাধিক কারখানায় কর্মরত রয়েছে প্রায় ৪০০ সেমাই কারিগর। বাড়তি আয়ের জন্য অনেকেই যুক্ত হয়েছেন এই পেশায়। প্রতিদিন সেহেরির পর থেকে বিকেল পর্যন্ত চলে সেমাই তৈরি। এদিকে, ঈদকে সামনে রেখে ঝালকাঠি জেলায় জুরী, লাচ্ছাসহ নানা রকমের সেমাই তৈরিতে এখন ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন ১০টিরও বেশি সেমাই কারখানার মালিক-শ্রমিকরা। ফলে মৌসুমি এ ব্যবসাকে কেন্দ্র করে আয় হচ্ছে শ্রমিক আর মালিকপক্ষের। তবে কারখানার মালিকরা জানিয়েছে, সেমাই তৈরির প্রধান কাঁচামাল- ময়দা ও ডালডার দাম বেশি হওয়ায় ব্যবসায়িকভাবে লাভ খুব বেশি থাকছে না। বিগত বছরগুলোতে উৎপাদনের গুণগত মান নিয়ে প্রশ্ন থাকলেও এ বছর বেশ স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশে সেমাই তৈরি হচ্ছে। রয়েছে পৌরসভারও তদারকি। এসব কারখানায় কর্মরত কারিগরদের মধ্যে ৯০ শতাংশই মহিলা। তবে মূলধনের অভাবে যথেষ্ট অভিজ্ঞতা থাকার পরও এ শিল্পকে বড় করতে পারছেন না অনেকে।


বাংলাদেশ'র অন্যান্য খবর

©সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি