ঢাকা, শুক্রবার ২৪ নভেম্বর ২০১৭  ,
২০:৫৯:২৮ জুন  ১৭, ২০১৭ - বিভাগ: বরিশাল


জমজমাট আমতলীর ঈদবাজার

Image

জিয়া উদ্দিন সিদ্দিকী, আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি

দারুণ জমেছে আমতলীর ঈদবাজার। শিশু, নারী-পুরুষের পদচারণায় সরগরম বিপণি বিতানগুলো। সবচেয়ে কদর বেশি বাহুবলী পোশাকের। ক্রেতারা তাদের পছন্দ মতো জামা-জুতা  পোশাক-প্রসাধনী ইত্যাদি ঈদ পণ্য কিনছে। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত চলছে কেনাবেচা। ঈদ যত ঘনিয়ে আসছে বাজারে  ক্রেতাদের ভিড়ও তত বাড়ছে। এ ছাড়া পোশাক তৈরিতে ব্যস্ত টেইলার্স কারিগররা। রাত জেগে তারা কাজ করছে। ব্যবসায়ী সূত্রে জানা গেছে, গত শুক্রবার থেকে ঈদ বাজার জমে উঠেছে। সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত চলে বেচাকেনা। ঈদের মার্কেটে ভারতীয় সিনেমা বাহুবলী-২ নামে আসা পোশাকের চাহিদা  মেয়েদের কাছে অনেক বেশি।
বাহুবলী-২ মেয়েদের পোশাকটি প্রকার ভেদে ১ হাজার থেকে ১২ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বাহুবলী পোশাক মানেই ঈদ আনন্দ। আকন বস্ত্রালয়ের সেলসম্যান বিকাশ নাথ ও সুমন দাস জানান, বাহুবলী-২, জামদানি ও সৃজনী শাড়ি এবং বাহুবলী-২, জামাই রাজা, সেলভিয়া ও মীরা থ্রি-পিস বেশি বিক্রি হচ্ছে। তারা আরও বলেন, বাহুবলী-২ শাড়ি ৭ হাজার থেকে ১২ হাজার টাকা এবং বাহুবলী-২ থ্রি-পিস ১ হাজার থেকে ১৪ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ক্রেতারা ভারতীয় সিনেমার নামের  সাথে যুক্ত পোশাক স্বাচ্ছন্দ্যে কিনে নিচ্ছে। ক্রেতা জান্নাতুল ফেরদৌসী বলেন, এ বছর পোশাকের ধরন বদলে গেছে এবং দামও অনেক বেশি। একটি সেলভিয়া থ্রি-পিস ১১ হাজার ৫০০ টাকায় ক্রয় করেছি। তিনি আরও বলেন, দাম একটু বেশি হলেও ভালো মানের পোশাক পাওয়া যাচ্ছে। শনিবার আমতলী শহরের আকন বস্ত্রালয়, মদনমোহন বস্ত্রালয়, ইসলামিয়া বস্ত্রালয়, মাসফি চয়েজ ও শারমিন ফ্যাশন হাউস ঘুরে দেখা ক্রেতাদের উপচেপড়া ভিড়। নারী ও পুরুষরা মিলে পছন্দের পোশাক ক্রয় করছে। এ সকল বিপণি বিতানগুলোতে বাহুবলী-২ ,জামদানি, রেশমি, সিল্ক, টাঙ্গাইল, মিরপুরী, নিল আসা, নীলপরি, সৃজনী শাড়ি এবং বাহুবলী-২, জামাই রাজা, জিসা, মীরা, সেলভিয়া, হাওলাদার, রিয়া, রেডিশন, রামেশা, লোন, জর্জেট, ফিউচার, আঁচল, নাগিন ও লেহেঙ্গা থ্রি-পিস বেশি বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া বাচ্চাদের পোশাক বাহুবলী-২, রাখিবন্ধন, শারারা, লেহেঙ্গা, ফ্লোরটাচ ও জবা বেশি বিক্রি হচ্ছে। তবে ভারতীয় পোশাক দখল করে আছে  দোকানগুলোতে।
মদনমোহন বস্ত্রালয়ের সেলসম্যান স্বপন বলেন, বাহুবলী-২ ও লেহেঙ্গা থ্রি-পিস বেশি বিক্রি হচ্ছে। ইসলামিয়া বস্ত্রালয়ের মালিক আনিসুর রহমান বলেন, জামদানি শাড়ি ৫ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকা দামে বিক্রি করেছি। সুমাইয়া কমপ্লেক্সের মাসফি চয়েজ হাউসের মালিক জাহিদ মিয়া ও শারমিন ফ্যাশন হাউসের মালিক বেলাল বলেন, বাচ্চাদের রাখিবন্ধন, ফ্লোরটাচ, লেহেঙ্গা ও বাহুবলী -২ বেশি বিক্রি হচ্ছে। তারা আরও বলেন, ভারতীয় সিরিয়ালের নামে আসা পোশাকের প্রতি ক্রেতাদের আকর্ষণ বেশি।


বরিশাল'র অন্যান্য খবর

©সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি