ঢাকা, শনিবার ২৫ নভেম্বর ২০১৭  ,
২১:২৪:০১ জুন  ০৭, ২০১৭ - বিভাগ: সিলেট


হাওরে উদ্বেগ উৎকণ্ঠা

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি

মৌলভীবাজারের কাশেমপুর পাম্প হাউজের কার্যকারিতা হ্রাস পাওয়ায়, হাওর এলাকার বিস্তৃত ফসলি জমি বর্ষাকালে পানিতে ডুবে থাকে। পাম্প দিয়ে সঠিকভাবে পানি নিষ্কাশন করতে না পারায়, বর্ষা মৌসুম থেকে শুরু করে শুষ্ক মৌসুম পর্যন্ত হাওরের কৃষি জমি জলাবদ্ধ থাকে। এ অবস্থায় ফসল নষ্ট হয়ে চরম ক্ষতির শিকার হচ্ছেন চাষিরা। জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ড জানায়, নতুন পাম্প স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মৌলভীবাজারের কাউয়াদিঘী হাওর এলাকার ফসলি জমি থেকে পর্যাপ্ত ফসল উৎপাদনের লক্ষ্যে ১৯৮৩ সালে কাসেমপুর পাম্প হাউজ নির্মাণ করা হয়। বর্তমানে পাম্পের কর্মদক্ষতা হ্রাস পাওয়ায়, পাম্পগুলো ঠিকভাবে পানি নিষ্কাশন করতে পারেনা। এতে বর্ষাকাল থেকে শুরু করে শুষ্ক মৌসুম পর্যন্ত হাওরজুড়ে জলাবদ্ধতা থাকে। এসময় কৃষকরা কোনো ফসলই আবাদ করতে পারে না। এ অবস্থায় চরম ক্ষতির মুখে পড়েছে সদর ও রাজনগর উপজেলার হাজার হাজার কৃষক। মৌলভীবাজার কৃষি উপ-পরিচালক মো. শাহজাহান বলেন, পানি উন্নয়ন বোর্ড যদি এই পাম্প হাউজটির সংস্কার করে তাহলে পানি নিষ্কাশনের পাশাপাশি এই সম্পূর্ণ এলাকাটি আবাদের আওতায় আনা সম্ভব। জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ড বলছে, ফসলি জমিতে সঠিকভাবে পানি নিষ্কাশনের জন্য, পাম্প হাউজে নতুন পাম্প বসানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মৌলভীবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আনিসুর রহমান বলেন, এই পাম্পগুলো প্রায় পঁয়ত্রিশ বছরের পুরাতন। নতুন পাম্প বসানোর জন্য আমরা ওয়ার্ক অর্ডার দিয়েছি। সে অনুযায়ী নতুন পাম্প বসলে হয়তো কার্যকারিতা আরও বাড়তে পারে। কাউয়াদিঘী হাওর অঞ্চলে, এবছর ইতোমধ্যে পাহাড়ি ঢলে ১৯ হাজার হেক্টর ফসলি জমির ৬০ শতাংশ ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে কৃষি বিভাগ।


সিলেট'র অন্যান্য খবর

©সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি